Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

ভূমিকাঃ

            ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর এ দেশে মহাজেরদের অধ্যাহত গতিতে আগমন ঘটতে থাকে। ১৯৫৫ সালে স্বাস্থ্য পরিদপ্তরের আওতায় সর্বপ্রথম ঢাকার কায়েতটুলিতে শহর সমাজসেবা কার্যক্রম চালু হয়। পরবর্তীতে গোপীবাগ এবং ঢাকায় মোহাম্মদপুরে এ কার্যক্রমের ভিন্ন ভিন্ন ইউনিট স্থাপিত হয়। সমাজসেবা কার্যক্রমের ব্যাপক বিকাশ, ব্যাপ্তি এবং বিবিধ সামাজিক সমস্যা মোকাবেলার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে সমাজকল্যাণ বিভাগের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ১৯৮৪ সালে সমাজকল্যানের নাম পরিবর্তিত হয়ে পূর্ণাঙ্গ অধিদফতর হিসেবে ‘‘সমাজসেবা অধিদফতর’’ প্রতিষ্ঠিত হয়।

          গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের জণগনের অর্থনেতিক মুক্তির যে দৃপ্ত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারই ধারাবাহিকতায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের শহর কেন্দ্রিক কর্মকান্ডকে গ্রামীণ এলাকায় সম্প্রসারণ করার মর্মে প্রবর্তন করেন সমাজসেবা (RSS)কার্যক্রম, জাতীয় জনসংখ্যা কার্যক্রমে পলস্নী মাতৃকেন্দ্র (RMC) এর ব্যবহার প্রকল্প এবং শহর সমাজসেবা  কার্যক্রম জোরদার করা হয়। পরবর্তী কালে এই কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয় এসিড দগ্ধ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাবলম্বী করার জন্য বিশেষ ঋণ কর্মসূচী অর্থাৎ এসিড দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনঃবাসন কার্যক্রম। তাছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সমাজসেবা বিভাগের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা সম্মানি ভাতা,দলিত হরিজন বেদে জনগোষ্ঠি ও হিজড়া জনগোষ্ঠির উন্নয়নে বিশেষ /বয়স্ক ভাতা এবং দলিত হরিজন বেদে শিক্ষার্থী ও হিজড়া শিক্ষার্থী এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদেরকে উপবৃত্তি প্রদান কার্যক্রম বাসত্মবায়ন করে।  দুঃস্থ, বিপন্ন ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠিকে সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান ও তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সমাজসেবা অধিদফতর। এ অধিদফতরের কাজ দেশের তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত। সমাজের অনগ্রসর অংশকে মূল ধারার সাথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ অধিদফতর পথিকৃতের ভূমিকা পালন করছে। ৪৭টি বহুমুখী কর্মসূচিসহ মানব সম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সমাজের অনগ্রসর, বঞ্চিত, দরিদ্র ও সমস্যাগ্রস্থ জনগোষ্ঠীর কল্যানসাধন, সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানে এ বিভাগ অন্যতম এবং এ বিভাগের রয়েছে গৌরবময় অধ্যায় ও বর্ণিল ইতিহাস।

ছবি